আমরা এ কথা দাপটের সাথে বলতে পারি সাইবার জগতে যত বাংলা অক্ষর দেখা যায় তার সিংহভাগ বাংলা ব্লগসমূহে লিখিত, আরো নির্দিষ্ট করে বললে বাংলাদেশের ব্লগসমূহের। ১৬ই ডিসেম্বরের বিজয় চেতনার সাথে মিলেমিশে এ যেন আমাদের আরো এক অর্জন। আমরা একে সম্মিলিতভাবে উদযাপন করবো বাস্তবে, প্রতি বছরের মত, বিজয় র্যালীতে, বিজয়ীর বেশে।
বেশ কয়েকটি কমিউনিটি ব্লগ প্ল্যাটফর্মের ব্লগারদের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে র্যালীতে সবাইকে অংশ নেবার আহবান জানাই। র্যালীটি জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়ে টিএসসি হয়ে শহীদ মিনার ঘুরে শেষ হবে ছবির হাটে। র্যালীতে অংশ নেবার জন্য প্রত্যেকে নিজের ইচ্ছেমতন বিজয়ের বার্তাবাহী, বর্ণিল কোনো ফেস্টুন, ব্যানার বা প্ল্যাকার্ড বহন করতে পারেন। সাথে নিয়ে আসতে পারেন স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু বা আত্মীয় স্বজন। ক্যামেরা নিয়ে আসতে পারেন সময়টাকে অ্যালবামে বন্দী করার জন্য।
আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ১৬ই ডিসেম্বরকে ব্লগারদের সংঘবদ্ধতার দিবস হিসাবেও প্রতিষ্ঠিত করবে। এই যূথবদ্ধতা আমাদের বিজয়ের চেতনার ভাস্বর হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে তরান্বিত করতে শক্তিশালী জনমত হিসাবে আবির্ভূত হবে। আসুন বিজয়ের র্যালীতে, জীবনে ব্লগের বাস্তবময় একটি অধ্যায়ে।
তারিখ: ১৬ই ডিসেম্বর
র্যালী শুরু হবার স্থান: শাহবাগ জাদুঘরের সামনে থেকে।
সময়: সকাল ৮টা ৩০ মি:
বেশ কয়েকটি কমিউনিটি ব্লগ প্ল্যাটফর্মের ব্লগারদের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে র্যালীতে সবাইকে অংশ নেবার আহবান জানাই। র্যালীটি জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়ে টিএসসি হয়ে শহীদ মিনার ঘুরে শেষ হবে ছবির হাটে। র্যালীতে অংশ নেবার জন্য প্রত্যেকে নিজের ইচ্ছেমতন বিজয়ের বার্তাবাহী, বর্ণিল কোনো ফেস্টুন, ব্যানার বা প্ল্যাকার্ড বহন করতে পারেন। সাথে নিয়ে আসতে পারেন স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু বা আত্মীয় স্বজন। ক্যামেরা নিয়ে আসতে পারেন সময়টাকে অ্যালবামে বন্দী করার জন্য।
আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ১৬ই ডিসেম্বরকে ব্লগারদের সংঘবদ্ধতার দিবস হিসাবেও প্রতিষ্ঠিত করবে। এই যূথবদ্ধতা আমাদের বিজয়ের চেতনার ভাস্বর হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে তরান্বিত করতে শক্তিশালী জনমত হিসাবে আবির্ভূত হবে। আসুন বিজয়ের র্যালীতে, জীবনে ব্লগের বাস্তবময় একটি অধ্যায়ে।
তারিখ: ১৬ই ডিসেম্বর
র্যালী শুরু হবার স্থান: শাহবাগ জাদুঘরের সামনে থেকে।
সময়: সকাল ৮টা ৩০ মি:
কুমিল্লা:- সকাল ৮ টায় পুবালী চত্ত্বর থেকে।
বাংলা ব্লগের শুরুর দিকে বিকল্প মিডিয়া হিসাবে এর উন্মেষের সাথে সাথে অবাস্তব এক ধারণার সূত্রপাত ঘটানো হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও সম্ভ্রম হারানো মা-বোনদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশে নারী সম্ভ্রম বিনষ্টকারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়ে কতিপয় ব্যক্তি এক প্ল্যাটফর্মে চেতনায় জ্বালাময়ী পোস্ট প্রকাশ করে ভিন্ন এক প্ল্যাটফর্মে বিকৃত যৌনাচারের গল্প লিখে নারীর প্রতি চরম অবমাননার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। একদিকে নারীকে ক্রমাগত অপমানজনকভাবে উপস্থাপন, অন্যদিকে একাত্তরের নারী অবমাননাকারীদের বিচারের দাবী – এ পরস্পরবিরোধী অবাস্তবতা তরুন প্রজন্মের কাছে অনলাইন কমিউনিটিকে পরিচয় করিয়ে দেয় বিকৃতভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত এই বিকারগ্রস্থদের অবাস্তব জগত গুঁড়িয়ে দিয়েছে সচেতন ব্লগাররা। ভার্চুয়াল অঙ্গন হলেও ব্লগ কোনোভাবেই অবাস্তব-সমাজ বিচু্যত জগত নয়, এখন স্পষ্টতর, ঐক্যবদ্ধ ও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে সাইবার জগত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন করা হয় যেমনটি জীবনে, তেমনটিই সাইবার স্পেসে যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিচ্ছুরণের কেবল এক বর্ধিত অংশ।
এবছরও রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, মানবিক অস্থি ও মাংসপিণ্ডসমেত আমরা সমবেত হবো বিজয়ের র্যালীতে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমুজ্জ্বল রশ্মি বিকিরণে।
আপনার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারেন এই ফেসবুক ইভেন্টে
পোস্টটি একযোগে প্রকাশিত হয়েছে ১৪টি টি কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে:
১. সামহোয়ারইনব্লগ, ২. টেকটিউনস, ৩. প্রথমআলোব্লগ, ৪. আমরাবন্ধু, ৫. দৃষ্টিপাত, ৬. বিডনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগ, ৭. উন্মোচন, ৮. মুক্তব্লগ, ৯. একুশেব্লগ, ১০. কম্পজগৎব্লগ, ১১. প্রিয় ব্লগ, ১২. বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগ, ১৩. প্রজন্ম ফোরাম ও ১৪. ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র।
* ছবিসূত্র: পোস্টে ব্যবহৃত পতাকার ছবি নেয়া হয়েছে উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে।
বাংলা ব্লগের শুরুর দিকে বিকল্প মিডিয়া হিসাবে এর উন্মেষের সাথে সাথে অবাস্তব এক ধারণার সূত্রপাত ঘটানো হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও সম্ভ্রম হারানো মা-বোনদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশে নারী সম্ভ্রম বিনষ্টকারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়ে কতিপয় ব্যক্তি এক প্ল্যাটফর্মে চেতনায় জ্বালাময়ী পোস্ট প্রকাশ করে ভিন্ন এক প্ল্যাটফর্মে বিকৃত যৌনাচারের গল্প লিখে নারীর প্রতি চরম অবমাননার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। একদিকে নারীকে ক্রমাগত অপমানজনকভাবে উপস্থাপন, অন্যদিকে একাত্তরের নারী অবমাননাকারীদের বিচারের দাবী – এ পরস্পরবিরোধী অবাস্তবতা তরুন প্রজন্মের কাছে অনলাইন কমিউনিটিকে পরিচয় করিয়ে দেয় বিকৃতভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত এই বিকারগ্রস্থদের অবাস্তব জগত গুঁড়িয়ে দিয়েছে সচেতন ব্লগাররা। ভার্চুয়াল অঙ্গন হলেও ব্লগ কোনোভাবেই অবাস্তব-সমাজ বিচু্যত জগত নয়, এখন স্পষ্টতর, ঐক্যবদ্ধ ও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে সাইবার জগত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন করা হয় যেমনটি জীবনে, তেমনটিই সাইবার স্পেসে যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিচ্ছুরণের কেবল এক বর্ধিত অংশ।
এবছরও রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, মানবিক অস্থি ও মাংসপিণ্ডসমেত আমরা সমবেত হবো বিজয়ের র্যালীতে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমুজ্জ্বল রশ্মি বিকিরণে।
আপনার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারেন এই ফেসবুক ইভেন্টে
পোস্টটি একযোগে প্রকাশিত হয়েছে ১৪টি টি কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে:
১. সামহোয়ারইনব্লগ, ২. টেকটিউনস, ৩. প্রথমআলোব্লগ, ৪. আমরাবন্ধু, ৫. দৃষ্টিপাত, ৬. বিডনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগ, ৭. উন্মোচন, ৮. মুক্তব্লগ, ৯. একুশেব্লগ, ১০. কম্পজগৎব্লগ, ১১. প্রিয় ব্লগ, ১২. বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগ, ১৩. প্রজন্ম ফোরাম ও ১৪. ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র।
* ছবিসূত্র: পোস্টে ব্যবহৃত পতাকার ছবি নেয়া হয়েছে উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে।
No comments:
Post a Comment